Showing posts with label SMS. Show all posts
Showing posts with label SMS. Show all posts

Monday, December 23, 2019

Ask yourself questions before ending a relationship

 
 
 
সম্পর্ক শেষ করার আগে প্রশ্ন করুন নিজেকে.....

কেউই চান না নিজের তিল তিল করে যত্মে গড়ে তোলা সম্পর্কটি ভেঙে যাক নিমেষেই। অনেকেই আছেন যারা দীর্ঘসময় ধরে চেষ্টা করতে থাকেন সম্পর্ক ধরে রাখার, এতে যতো সমস্যাই হোক না কেন। কিন্তু কিছু সময় আছে যখন সম্পর্ক ধরে রাখার যন্ত্রণা ছেড়ে দেয়ার যন্ত্রণা থেকে অনেক বেশী হয়। তখনই সম্পর্ক ভেঙে ফেলা উচিত, আর কিছু না হোক অন্তত চিন্তা করা উচিত সম্পর্ক ভেঙে ফেলা নিয়ে। তবে চিন্তা মাথায় এলেই হুট করে সম্পর্ক ভেঙে না ফেলে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে নিন। হতে পারে আপনি যা নিয়ে সম্পর্কে থেকে কষ্ট পাচ্ছেন তা আপনার নিজেরই তৈরি। নিজেকে প্রশ্ন করে আগে বুঝে নিন সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে এবং সম্পর্কটি আসলেই ভেঙে ফেলা উচিত কি না।

১) সম্পর্কে থেকে আমি সুখ না দুঃখ কোনটা বেশী পাচ্ছি?
মাথায় যেহেতু সম্পর্ক ভাঙার কথা আসছে সেহেতু নিশ্চয়ই আপনি কষ্ট পাচ্ছেন। কিন্তু এখানে ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে যে আপনি সম্পর্কে থাকা পুরো সময়ে কি শুধুই কষ্ট পেয়েছেন নাকি আপনার বর্তমান অবস্থার জন্য চিন্তা করছেন সম্পর্ক ভেঙে ফেলার? যদি আপনি শুধুমাত্র বর্তমানের জন্য সম্পর্ক ভাঙতে চান তাহলে হুট করে সিদ্ধান্ত না নেয়াই উচিত। যদি আগে আপনাদের মধ্যে সুসম্পর্ক থেকে থাকে এবং আপনি সুখে থেকে থাকেন তাহলে আরেকবার চেষ্টা করা উচিত। আর যদি একেবারেই সুখে না থেকে থাকেন তাহলে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলুন।

২) আমার কি সম্পর্কে থাকার জন্য নিজের সবকিছুই বিসর্জন দিতে হচ্ছে?
দুজন মানুষের অনেক ছাড় দেয়ার মাধ্যমেই সম্পর্ক মজবুত হয়ে গড়ে ওঠে। এবং সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য দুজনের মধ্যেই পরিবর্তন জরুরী। কিন্তু যদি সম্পর্কের জন্য নিজের স্বত্বা, চিন্তা চেতনা সবই বিসর্জন দিতে হয় তাহলে সম্পর্কে থাকা নিয়ে অবশ্যই নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত। কারণ, যে সম্পর্কে নিজের সব কিছু এমনকি নিজের স্বত্বাও বাদ দিতে হয় তাহলে সম্পর্ক ভেঙে ফেলাই ভালো।

৩) আমরা কি ঝগড়া বেশী করি নাকি সুখস্মৃতি বেশী?
সম্পর্কে একটু ঝগড়াঝাঁটি হয়েই থাকে। ছোটোখাটো ব্যাপারেও ঠোকাঠুকি লেগে যায় অনেকের মধ্যে। কিন্তু এখানে বিষয়টি হচ্ছে আপনারা সম্পর্কের ঠিক কতোটা সময় ঝগড়া করে কাটিয়েছেন বলুন তো? আর আপনাদের ঝগড়ার পর মনোমালিন্যের সময়ে মনে করার মতো সুখস্মৃতি কতোটা রয়েছে তাও হিসেব করে দেখুন। হিসেব করার একটিই অর্থ রয়েছে, আর তা হচ্ছে, এই সুখস্মৃতি যতো বড় ঝগড়াই হোক না কেন দুজনের মান ভাঙাতে যথেষ্ট। কিন্তু যদি আপনাদের সম্পর্কে এই সুখস্মৃতিই না থাকে তাহলে নিজেদের মধ্যে আকর্ষণ সত্যিই হারাতে থাকবেন এবং এই সম্পর্কের আসলেই কোনো ভবিষ্যৎ নেই।

৪) আমি কি সত্যিই তাকে ভালোবাস্তি
এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ভালোলাগা এবং শুধুমাত্র একাকীত্ব কাটানোর মানুষ খুঁজে পাওয়াকে ভালোবাসার নাম দিয়ে বসে থাকেন। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই এই ধরণের ভালোলাগা কাটতে শুরু করে এবং তখন সম্পর্কে টানাপোড়নের শুরু হয়। যদি আপনার সাথে এই ধরণের কিছু হয়ে থাকে তাহলে সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে চিন্তা করুন। আর যদি এরকমটি না হয় তাহলে ভাবুন আরেকটি বার। নিজেকেই প্রশ্ন করে দেখুন না, ‘আমি কি তাকে সত্যিই ভালোবাসি নাকি, সে শুধুই আমার একাকীত্ব ঘোচানোর মানুষ’।

Wednesday, November 18, 2015

What's your favorite Facebook ID will be safe from hackers hack.

★বন্ধুরা,,,আজ আপনাদের শিখাবো কি করলে আপনার প্রিয় আইডি হ্যাকারদের হ্যাক থেকে নিরাপদ থাকবে।
আমি আজ তিনটি বিষয় শিখাবো যা পুরান ফেসবুক ইউজার এবং নতুন ইউজার সবার জন্য প্রয়োজন।
**নং ১→Login Aproval
**নং ২→ Fhone number & Gmail Security
**নং ৩→ Trusted Contrack
‪#‎টপিক_নং_১‬→ Login Aproval
১> প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক আইডিতে দেখেন Settings or Account settings এরকম অপশন আছে। ওখানে ক্লিক করুন।
২> এর পর দেখেন লেখা আছে,
General
Security
--
---এভাবে আরো আছে।
এখান থেকে Security অপশনটা ক্লিক করুন।
৩> এবার দেখবেন লেখা আছে,
Login Approvals on. এটাতে ক্লিক করুন।
৪) এবার আপনার ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইবে এবং পাসওয়ার্ডটি বসিয়ে Continue ক্লিক করুন।
৫) এবার আপনার একটা ফোন নাম্বার চাইবে এবং আপনি যে নাম্বারটি সবসময় ব্যাবহার করবেন সেই নাম্বারটি কোড বা +88....... দিয়া ইংলিসে বসাবেন ও Continue ক্লিক করবেন।
৬) ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার ফোন নাম্বারে একটা ৬ নাম্বারের কোড যাবে, ঐ কোডটা যেখানে কোড চাইবে সেখানে কোডটি বসিয়ে Continue ক্লিক করবেন। ব্যাস এবার হয়ে গেল টপ সিকিউরিটি।
>>এখন কেউ যদি আপনার gmail or fhone number ও fb পাসওয়ার্ড জােনও তারপরেও login করতে পারবে না। login করতে গেলেই আপনার ঐ ফোন নাম্বারে একটা কোড যাবে এবং ঐ কোড না দেওয়া পর্যন্ত কেউ login করতে পারবেনা।
*****যারা এই নিয়মটা পারে তাদের মধ্যে কিছু পন্ডিত আছে যে, তিন নম্বর ছাগলের বাচ্চার মত চেচামেচি করবে আর বলবে এটা আমি জুকাররে সিখাইছি আর তুই এখন আমারে টিপস দিতে আইছোস!
তাই এধরনের লোকদের জন্য এবং বাকি সব জানুদের জন্য আসল সিকিউরিটি নিয়ে আলোচনা করবো।
#‎টপিক_নং_২‬→ Fhone number & Gmail security :
1> প্রথমে আপনি আপনার যে নাম্বারটি ফেসবুকে যুক্ত করবেন সেই নাম্বারটির অবশ্যই সঠিক কাগজপাতি বা ডকোমেন্ট থাকতে হবে, নইতো যারা প্রফেশনাল হ্যাকার তারা আপনার ফোন নাম্বারটি রিপ্লেস করে খুব সহজেই ফেসবুক একাউন্টসহ জিমেইল একাইন্ট পর্যন্ত হ্যাক করতে পারে।
২> আপনি আপনার ফেসবুকে একটি ইমেইলসহ আরেকটি এডিশনাল ইমেইল যুক্ত করতে হবে,যাতে আপনার একাউন্ট হ্যাক হলে খুব সহজে রিকভার করা যায়।
৩> আপনার ফেসবুকে ব্যাবহৃত প্রতিটি ইমেইলে ফোন নাম্বার যুক্ত করে ইমেইলটি ভেরিফাই করে রাখুন, নইতো আপনার ইমেইল হ্যাক করে খুব সহজেই আপনার ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক করতে পারে।
৪> ইমেইলগুলোতে যে ফোন নাম্বার যুক্ত করবেন সেই ফোন নাম্বারগুলোর অবশ্যই সঠিক কাগজপাতি বা ডকোমেন্ট থাকতে হবে, নতুবা ফোন নাম্বার রিপ্লেস করে ইমেইল হ্যাক করে আপনার ফেসবুকসহ অন্য সব একাউন্টও হ্যাক করে নিতে পারে খুব সহজে।
৫> আপনার ফেসবুক একাউন্টে কোন ধরনের ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট এড করা থেকে বিরত থাকুন,,,কারন ঐসব সাইট থেকে তথ্য নিয়েও একজন প্রফেসনাল হ্যাকার আপনার একাউন্ট হ্যাক করতে পারে।
৬> শুধুমাত্র আপনার পোস্ট বাদে বাকি যোগুলো আছে আপনার এবাউটে সবগুলো only me করে রাখুন যাতে হ্যাকারে কোন প্রকার তথ্য সংগ্রহ করতে না পারে।
৭> সবশেষে যেটা বলবো সেটা হল, ফেসবুকে আপনার অজান্তে অনেক শত্রু আছে তাই আপনি যদি কখনও ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে ফেসবুকে না আসার পরিকল্পনা করেন তাহলে আইডিটা Tamporary Deactive করে রাখুন সেটা আপনার জন্যই সুবিধা হবে।
#‎টপিক_নং_৩‬→Trasted Contract
আপনি হইতো ভাবছেন এটা আবার কোন টপ সিকিউরিটির বিষয় হল! এটা তো আগে থেকেই পারি!!!
কিন্তু আমি যেটা বলবো সেটা একটু ভিন্ন। Trasted Contract এ তিনজন কাছের ফ্রেন্ডস এড করা থাকলে আইডি হ্যাক হলেও সহজে রিভার করে আইডি ফিরাই আনা যায়। কিন্তু সমস্যা আরেকজাগাই, সেটা হল আপনার আইডি বিশেষ করে কাছের লোকরাই হ্যাক করে থাকে। আগে আপনার খুব ভাল বন্ধু ছিল বা পরিচিত ভাল এমন কোন লোকের সাথে ঝামেলা হলেই আপনার আইডি হ্যাক করে বাঁশ দেওয়ার চিন্তা করেম অতএব আপনি Trasted Contract এ কোন বন্ধুর আইডি এড না করে আপনার নিজের তিনটা সিকিউর করা এবং ভেরিফাই করা স্ট্রং আইডি এড করুন। যদি আপনার এক্সট্রা আইডি না থাকে তাহলে তিন ক্রিয়েট করে টপ সিকিউর দিয়ে, প্রয়জনে আইডিগুলো ভেরিফাই করে স্ট্রং করে নিন একং ট্রাস্টেড কন্ট্রাক্টে এড করুন।
তাহলে আপনার আইডি হ্যাক হওয়ার ২৪ ঘন্টা পার হলেও কারর সহযোগীতা ছাড়াই নিজের আইডি নিজেই খুব সহজে রিকভার করে ফেরত আনতে পারবেন।
সর্বপরি আপনি কখনই নিজেকে সেরা ভেবে অহংকার করবেন না যে,আপনার আইডি কেউ হ্যাক করতে পারবে না,কারন যারা প্রফেসনাল হ্যাকার তারা পুরো ফেসবুক সার্ভারকেই মাঝে মাঝে অফ করে দেই আর আমি আপনি তো জেনারেল পাবলিক। সয়ং ফেসবুকের নির্মাতা মার্ক জুকারবার্গের আইডিও কয়েকবার হ্যাক হয়েছিল।
লেখাটা যদি আপনার কোন কাজে এসে থাকে তাহলে একটা ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না।
#‎হ্যাপি_ফেসবুকিং‬

Saturday, March 7, 2015

খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন



খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। সম্পর্কের
কয়েকটা ফ্যাক্টঃ
☞ চুমু খাওয়া স্বাস্থ্যকর!
☞ ছেলেরা যদি কোন
মেয়েকে অপমান
করে, এর অর্থ সে তাকে পছন্দ করে।
☞ ৮৯% মেয়েই ছেলেদের কাছ
থেকে প্রথমে প্রপোজ আশা করে।
☞ একটা মেয়েকে পেছন থেকে যখন
তার
বয়ফ্রেন্ড কোমড় জড়িয়ে ধরে,
এটা সে সবচেয়ে বেশী পছন্দ করে।
☞ স্ত্রী'রা সেই
মুহূর্তটা ভালবাসে যখন তাদের
স্বামীরা তাদেরকে টাই
বেঁধে দিতে কিংবা কোটটা পড়িয়ে দিতে বলে।
☞ ছেলেরা তাদের পছন্দের
মেয়েকে রাগিয়ে লাল
টুকটুকে চেহারাখানা দেখতে ভালোবাসে !
☞ সত্যিকারের বন্ধুরা কখনোই আপনার
বন্ধুত্বের পরীক্ষা নিবে না।
☞ পৃথিবীতে কেউ না কেউ অবশ্যই
আছে যার চোখের
জলকে আপনি নিজের
জীবনের চাইতেও বেশী মূল্য দেন।
☞ যদি আপনি অন্তর
থেকে কাউকে চান,
জেনে রাখুন সেই মানুষটাও
আপনাকে ভেবেই
ঘুমুতে যায়।
☞ ৯৯% ছেলে তার ভালোবাসার
মানুষকে নিয়ে ঘুমানোর
আগে চিন্তা করে।

Friday, March 6, 2015

Facebook Status



এই যে আপু , হুম, আপনাকেই বলছি । আচ্ছা আপনি একটা ছেলেকে ভালোবাসেন...... আপনারা ঘুরাঘুরি করেন,ডেটিং করেন, বিভিন্ন রেস্তুরায় লাঞ্চ করেন,শপিং করেন... সবগুলো খরচ আপনার বয়ফ্রেন্ড বহন করে... আপনি যেমন স্টুডেন্ট,আপনার বয়ফ্রেন্ডও তো স্টুডেন্ট... তাই নয় কি ?? সে এই টাকা গুলো কোথায় থেকে এনে খরচ করছে, একবারও তাকে জিজ্ঞেস করেছেন ?? নাকি শুধু পেয়ে নেচে নেচে খুশী হয়েই যাচ্ছেন ??? ____যখন সব কিছুর খরচ আপনার বয়ফ্রেন্ড নিজের পকেট থেকে দেয়, আপনার বিবেক কি একবারও প্রশ্ন করে না যে ও টাকা পায় কোথায় ?? _______ এই যে আপু...হ্যাঁ আপনাকে... আপনাকে খুশী করতে সে তার পরিবারকে কষ্টে ফেলছে... তার নিজের ছোট ছোট ইচ্ছাকে আপনার খুশীর জন্য বিলীন করে দিচ্ছে... হয়তো ছেলেটা একটা সুন্দর টি- শার্ট কিনতো... কিন্তু আপনার সাথে কিছু সুন্দর মূহুর্ত কাটাবে বলে সে টাকাটা জমিয়ে রেখে দিয়েছে... ________কেন করতে পারছে এমন জানেন... কারন... আপনার কাছে তার কোন কেয়ার নেই... যদি কেয়ার থাকতো তাহলে তাকে জিজ্ঞেস করতেন, এই তুমি যে আমায় গিফট দিবে তুমি টাকা পাবে কোথায় ?? নিজেইতো আমার মতো বেকার... তখন যদি সে বলতো, আমি টাকা জমিয়েছি তোমার জন্য... ___আপনি সত্যি তাকে ভালোবাসলে কি করতেন জানেন ??? শপিং এ যেতেন ঠিকই, উল্টো নিজের টাকা দিয়ে তাকে ছোট্ট একটা গিফট কিনে দিতেন, আর বলতেন তোমার জমানো টাকা দিয়ে... তোমার অব্বু,আম্মুর জন্য গিফট কিনে ঈদে দিও তারা অনেক খুশী হবে... আপনি নিজে কল্পনাও করতে পারবেন না, সেকতটা খুশী হবে... কারন কি জানেন ??? কারন একটা ছেলে চায় তার গার্লফ্রেন্ড/ বউ তার থেকে তার পরিবারকে বেশী ভালোবাসুক... এতে তার মধ্যে অনেক বেশী ভালোলাগা কাজ করে... ______আচ্ছা কখনো কি বলেছে যে, এই আজ রেস্তুরায় খাবো না... এখানে অন

Download This Photo

Wednesday, March 4, 2015

আজকাল মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী



আজকাল মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী।” কিছুদিন আগে এক বাড়ীতে মাস্তুরাত জামাতে স্থানীয় কয়েকজন ইসলামপ্রিয় নারী দ্বীনি আলোচনা শোনার জন্য (শরয়ী পর্দা বজায় রেখে) জমায়েত হয়েছিলেন । সেখানে আলোচনার এক পর্যায়ে একজন বলেছিলেন- “আজকাল মহিলাদের চেয়ে পুরুষের লজ্জা বেশী।” কথাটা শেষ না করতেই একজন ভদ্রমহিলা উ...ঠে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদের সুরে বললেন- আমি আপনার এ বাক্যটা মানতে পারলাম না। পুরুষ মানুষের আবার লজ্জা দেখলেন কোথায়? ওরা তো বেশরম, বেলাজ......। উক্ত মহিলা তখন আলোচনা বন্ধ করে বললেন, আপা! আপনি কি করেন? মহিলাটি তখন বলল- এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করি। আলোচক মহিলা তখন জানতে চাইলেন, ‘আপনার প্রতিষ্ঠানে কয়জন পুরুষ ও কয়জন মহিলা শিক্ষক আছেন? মহিলা বলল, আমরা সমান সমান। তখন তিনি বললেন, আপনি কি কোন দিন আপনার পুরুষ কর্মীদের পেট- পিঠ দেখেছেন? প্রতিবাদকারী নিশ্চুপ। আলোচক মহিলা বললেন, দেহ প্রদর্শন করা নির্লজ্জতা। কিন্তু এ কাজটা সাধারণত পুরুষরা করে না। আপনার যদি কখনো ইচ্ছে হয়, আপনার কোন পুরুষ সহকর্মীর পেট- পিঠ দেখবেন, তাহলে তাকে আহ্বান করে বলতে হবে, ভাই আপনার শার্ট বা পাঞ্জাবীটা একটু উপরে উঠান, আমি আপনার পিঠ বা পেট একটু দেখব। সে ভাই তখন অবশ্যই আপনাকে পাগল মনে করবে। আর আপনার পেট-পিঠ কতোভাবে কতো এ্যাংগেলে কত শত নারী-পুরুষ দেখছে, তার কি কোন হিসাব আছে? পুরুষেরা পেট-পিঠ বের করে বাইরে বা অফিস- আদালতে যাবে না, এটা তাদের স্বাভাবিক লজ্জা। যা থাকা উচিত ছিল মেয়েদের। অথচ মেয়েরা কিভাবে জামা বা ব্লাউজের গলাটা আরেকটু বড় করে কাঁধ ও বুকের উপরি অংশে বের করা যাবে- সে চেষ্টাই করে। এ পর্যায়ে বেচারা ভদ্রমহিলা একেবারে চুপ হয়ে গেলেন.......... ...........
Download Pdf

Wednesday, November 26, 2014

Raj Writeing Story



নিজের প্রেমিকাকে অন্য পুরুষের বাসরে কল্পনা করা কঠিন। যতো যাই হোক সেই রাতে প্রেমিকার মনে চরম স্বামীভক্তিই দেখা দেবে। নববধুর খামচে ধরা বিছানাটাই শুধু নজরে পড়বে কুমারিত্ব হরনের নেশায় ব্যস্ত সেই বরের, গড়িয়ে পড়া কয়েক ফোটা জল তার অদেখাই থেকে যাবে। নববধুর সেই জলেই গোপনে ভেসে যাবে পুরোনো প্রেমিক আর তার সব স্মৃতি। আরেকটু জোরে বরকে আকড়ে ধরে পাকাপোক্ত করে নেবে নতুন আশ্রয়। বরের গায়ে প্রতিটা খামচির দাগ বরকে নতুন আনন্দে মাতাল করে তুললেও পুরোনো প্রেমিকের শরীরে তখন চকচকে ব্লেডের আচড় স্থায়ী হচ্ছে সযতনে। পরের দিন থেকে আরেকটা নতুন সংসার, নতুন বাবা-মা সামলে রাখার দায়িত্বটাও সে ভালোভাবেই বুঝে নেবে। আচ্ছা প্রেমিকটা কি মরে যাবে? নাকি সম্পুর্ন বিপরীত এক সত্বার মানুষ হয়ে কাটিয়ে দেবে যতদিন পারা যায়? ভালো থাকুক প্রাক্তন প্রেমিকা, সুখী হোক নতুন বর।
Raj

Monday, November 3, 2014

কি কি কারণে আপনার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে ?

আমরা আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার অধিকারী ফেইসবুক প্রতিদিন ব্যাবহার করছি । এই ফেইসবুকের মাধ্যমে শত শত বন্ধুর সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন । এমনও কিছু ব্যাবহারকারী আছে একদিন ফেইসবুকে না ঢুকলে ভালো লাগে না । কিন্তু আশংকার বিষয় হলো ফেইসবুক এডমিন যেকোনো সময় বিনা নোটিশে আপনার এই শখের ফেইসবুক অ্যাকাউন্টি বন্ধ করে দিতে পারে । তাই আমদের সকলেরই সতর্ক থাকা উচিত এবং জেনে রাখা ভালো কি কি কারণে ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতে পারে ।
১) পর্ণগ্রাফী – এটা ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার অন্যতম কারণ । আপনার ফেইসবুক প্রোফাইল বা অন্য কোথাও যদি পর্ণগ্রাফী ছবি বা ভিডিও ব্যাবহার করেন, তাহলে ফেইসবুক এডমিন আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে পারে যেকোনো নোটিশ ছাড়া ।
২) ভাষা ব্যাবহার করার ক্ষেত্রে আপনাকে সংযমী হতে হবে । স্ট্যাটাস আপডেট অথবা ম্যাসেজ আদান-প্রদান এর সময় ভাষার প্রতি খেয়াল রাখতে হবে । বাজে ভাষা ব্যাবহার করলে আপনার ফ্রেন্ডস লিস্টে থাকা যে কেউ আপনার নামে রিপোর্ট করতে পারে ফলে ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে ।
৩) আপনি যদি আপনার নিজের নামের বদলে কোন সেলিব্রেটি অথবা কারো নাম ব্যাবহার করে ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট চালান, তাহলেও আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার আশংকা থাকতে পারে ।
৪) স্পামিং করাটা শুধু ফেইসবুক না , পুরো ইন্টারনেট জগত এটাকে ঘৃনা করে । আপনার পণ্য বা ওয়েব সাইট প্রমোট করার জন্য ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যাবহার না করাই ভালো । তবে একটি সময় পর্যন্ত এটা করা যেতে পারে যা স্পামিং এর পর্যায়ে পরে না ।
৫) ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার আর একটি কারণ হলো অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্রেন্ডস রিকোয়েস্ট পাঠানো । যতটা কম পারা যায় ততই ভালো ।
৬) খুব বেশি গ্রুপে জয়েন না করাটাই ভালো । এটাও আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবার কারণ হতে পারে । তাছাড়া প্রতিদিন গ্রুপগুলো থেকে অতিরিক্ত ম্যাসেজ এসে আপনার ইনবক্স ভর্তি হয় যাবে ।
৭) আপনি যদি আপনার বন্ধুদের ওয়াল বা ইনবক্সে প্রতিদিন অনেক বেশি ম্যাসেজ পোস্ট করেন তাহলেও আপনার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যেতে পারে ।
৮) ফেইসবুকের মাধ্যমে কোন ধরনের রাজনৈতিক বক্তব্য বা উস্কানিমূলক বক্তব্য বা ধর্মীয় উস্কানিমূলক ছবি শেয়ার করবেন না তাতে আপনার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ তো হবেই । একই সাথে আপনিও চলে যেতে পারেন শ্রীঘরে । তো সাবধান !
তাই ফেইসবুক ব্যাবহার করার সময় এই বিষয়গুলো একটু খেয়াল রাখলে আপনার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার কোন আশংকা থাকবে না ।

Sunday, November 2, 2014

Heath Stroke

STROKE (স্ট্রোক): মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R.
আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।
একটি সত্যি গল্পঃ
একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।
সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান !!!!!
শেয়ার আপনার বন্ধুকেও জানান ...।
(লিখাটি ইংরেজি থেকে অনুবাদিত।)
Stroke

Love Story

একটা ছেলে,
একটা মেয়েকে প্রপোস
করলো।
,
,
, ,
মেয়েটি ছেলেটি কে পাত্তাই
দিলোনা,
ছেলেটি বলল
আমি তোমাকে একশো দিন সময়
দিলাম, তুমি ভেবে দেখ,
আমি এই একশ দিন তোমার বাসার
সামনে থাকবো, এবং তোমার জন্য
অপেক্ষা করবো।
এই বলে ছেলেটি চলে গেল,
পরদিন থেকে ছেলেটি সেই বাসার
সামনে অপেক্ষা করতে লাগলো।
এভাবে ৯৯ দিন চলে গেল।
মেয়েটি ছেলেটাকে ভালবেসে ফেলল,
আজ একশ দিন পুর্ণ হবে,
মেয়েটি আজ ছেলেটাকে ভালবাসার
কথা বলবে,
সে বাসার সামনে গেল,
কিন্তু সেখানে ছেলেটাকে দেখল
না, সেখানে একটা চিঠি পেল,.
"আমি সত্যি তোমাকে অনেক ভালবেসে ছিলাম,
আমি বিশ্বাস করতাম তুমি আমার
কাছে আসবে,
আমি যখন তোমার বাসার
সামনে ঘুর
ঘুর করচিলাম, তখন তোমার পাশের বাসার
মেয়েটা আমাকে ফলো করছিল,
এক মাস যাওয়ার পর,
সে আমাকে অফার
করলো,
আমি তাকে তোমার কথা বললাম, সে তারপর আমাকে পেতে চাইলো।
আমি তাকে কিছু বললাম না,
যখন
বৃষ্টিতে হচ্ছে তুমি হয়তো গায়ে কম্বল
দিয়ে সুয়ে আছো,
তখন তোমার পাশের বাসার মেয়েটা আমার জন্য
ছাতা এনেছে,
তার ছোখের
লুকানো পানি আমি দেখেছি,
তুমি একবার ও বের হয়ে দেখনি,
আমি কেমন আছি। আমি তোমার মতো স্বার্থপর
হতে পারিনি,
আমি আজ আমার সত্যি কারের
ভালবাসার মানুষ টাকে পেয়েছি,
তোমার কাছে আমার কোন দাম
নেই, কিন্তু ওর কাছে আমার দাম অনেক,
তাই আমি আমার ভালবাসার মানুষ
টার কাছে চলে গেলাম। ভাল
থেকো,
চিঠি টা পড়ে মেয়েটি কাঁদতে লাগলো।
আমি সত্যি বোকা, তোমাকে আমি প্রথম দিন
থেকে ভালবেসেছি, কিন্তু
বলিনি,
আমার প্রতি তোমার
ভালবাসা কতটুকু পরিক্ষা করার
জন্য। আমি বুঝিনি তুমি অন্য
কারো হয়ে যাবে।
তুমি ফিরে এসো,
আমি তোমাকে সত্যি অনেক
ভালবাসি।
মেয়েটি কাঁদতে লাগলো, কিন্তু অনেক দেরী হয়ে গেচে,
*** ভালবাসার মানুষ
টাকে পরীক্ষা করা ভাল, কিন্তু
এমন
পরীক্ষা করো না যাতে পরে তোমাকে কাঁদতে হয়


Friday, October 31, 2014

True Talk In Bangladesh


ভালো কিছু মাথায় না
আসলে আমি কি করুম ?
কতটা খারাপ হলে এমন
লেখা মাথায় আসে তা বুঝে নিবেন।
মেয়েদের যদি ভোগের
বস্তু মনে করেন তবে
আপনি হবেন সেরা খারাপ
মনের মানুষ। তবে
আসল কথা কি জানেন
এই জাতকে ভোগ না করলে
প্রেম তো দূরের কথা
কারো ঘরে বৌ থাকবেনা।
এই জাত দিয়ে মজা পায়
কিন্তু বলে নয়।
কৈশলে সব নিতে পারবেন
কিন্তু সৎ মনে কিছু
পাবে না।সব মেয়েই গোপনীয়তা বুঝে কিন্তু
আসল জায়গাতে কুকুরের
চেয়ে বাঝে মনের।
এরা এত নোংরা মনের
বলেই হয়ত এদের হেদায়েতের
জন্যে কোন নবী রাসুল
আসে নাই,মসজিদ ঘর
পবিত্র আছে মেয়ের
পরশ পায়নি বলে

Monday, October 20, 2014

Husband & Wife Probloum Solved



সমবয়সী স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হতে পারে বিভিন্ন দাম্পত্য সমস্যা
স্বামীর বয়স স্ত্রীর বয়সের দ্বিগুণ হওয়াটা বেশ কিছুদিন আগেও ছিল স্বাভাবিক ব্যাপার।সময়ের পরিবর্তনে শিক্ষিত মানুষের মধ্যে বয়সের কম ব্যবধানে বিয়ে করার প্রবণতা বেড়ে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। বিয়ে মানে এখন আর শুধু প্রজননের সঙ্গীকে খোঁজা নয়। জীবনের সর্বাঙ্গীন সুখ-দুঃখ, হাসি-আনন্দ, সফলতা-বিফলতায় সমান ভাগীদার খোঁজা। আর তাই সমবয়সীদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারটা ইদানীং খুব বেশি দেখা যাচ্ছে।
একই সঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁধা। সমবয়সী স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর মতো সব কিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বিষয়গুলো তার সঙ্গে মিলে যায় সহজেই। বিষয়গুলো আবার সব সময় একই রকম থাকে না। কখনো পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। আর তাইতো অনেক অভিভাবকই মেনে নিতে পারেন না ব্যাপারটা।সমবয়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পায়। যা বিষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবনের পুরোটায়।


অনেক সময় দেখা যায় সমবয়সী পুরুষ নারীর কাছে মানসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরুষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু নারীটি ওই পুরুষের থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। অচিরেই শুরু হয়ে যায় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। আবার এমন হয়, যুক্তি বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মেয়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা থাকে না পুরুষটির। মেয়েদের যেহেতু পারিপার্শ্বিকতা বোঝার ক্ষমতা একটু বেশি। ছেলেটির তুলনায় মেয়েটি যখন বেশি সচেতন তখন তা হয় দাম্পত্যজীবনে মতভেদ, জটিলতা ইত্যাদির কারণ হয়। একে অপরকে যথাযথ সম্মান দিতে নারাজ। আবেগের ভাটা পড়লে সম্পর্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

এ তো গেল যৌবনের সংঘাত। এই সংঘাতের মধ্য দিয়ে কেউ যদি টিকে গেলে আসে আরেক ঝামেলা। দুজনেরই বয়স যখন ৪০ থেকে ৪৫-এর মধ্যে। নারীটির মেনোপজ শুরু হয়ে গেছে। নারীদের জীবনে এটি একটি টার্নিং পয়েন্ট। নানা স্বাভাবিক সঙ্কট তৈরি হয় এই সময়। পিরিয়ড বন্ধ হয়, প্রজনন ক্ষমতা হারায়, যৌনমিলনে অনিচ্ছা, ক্যালসিয়ামের অভাব ঘটে। একই সঙ্গে চলে মানসিক সমস্যা। আর তখন তা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে। তারা ভাবতে শুরু করে তার আর দেয়ার কিছু নেই। মনে চলে আসে বিষণ্ণতা। প্রাকৃতিক কারণে আগে পরিণত হওয়ায় নারীকে আগেই বার্ধক্য গ্রাস করে ফেলে।

একই বয়সে পুরুষটি তখন টাট্টু ঘোড়া। এই মধ্য-দুপুরে পুরুষটি তখন নিদারুণ অসহায়। কামযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে দিশেহারা সে। তার প্রভাব দাম্পত্যজীবনে এসে পড়বেই। অশান্তিতে শুরু হয় ডিভোর্সের সম্ভাবনা। অর্থাৎ সমবয়সে বিয়ে করা মানে অশান্তিকে দাওয়াত দেয়া।

পাত্রীর চেয়ে পাত্রের বয়স কমপক্ষে ৫ বছর এবং বেশি হলে ১০ বছরের মধ্যে থাকা উচিৎ। ব্যতিক্রম ঘটনা থাকতেই পারে, কিন্তু সেটা আলোচনার মধ্যে আসতে পারে না। ব্যতিক্রম সবসময়ই ব্যতিক্রম। আর তাই কিছু সমবয়সী দম্পতিও হতে পারেন দারুণ সুখী।

Sunday, October 19, 2014

How To Change Facebook Timeline Name In 60 Days Before



. ৬০ দিনের
আগে নাম চেঞ্জ
করতে
১.প্রথমে Setting &
Privacy
তে যান।
:
২.তারপর Genarel এ যান।
:
৩.তারপর Name এ
ক্লিক করুন।
:
৪.আপনার নামের নিচে Learn
more
লিখা আছে ঐখানে ক্লিক
করুন।
:
৫.তারপর দেখবেন নীল
রঙ্গে লিখা let us
us
তে যান।
:
৬.তারপর আপনি যে নান
দিতে চান সেই নাম
গুলো তিনটি ঘরে লিখুন

1st name এবং last
name লিখতেই হবে। middle name
না লিখলেও হবে ।
:
৭.Reason for this
change
লিখা ঘরে ক্লিক করে Legal Name
Change এ
ক্লিক করুন।
:
৮.তারপর Choose এ
ক্লিক করে যেকোনো একটি ফটো আপলোড
করে send
করে দিন।
তারপর দেখুন ৩
দিনের
ভিতর অাপনার নাম চেঞ্জ হয়ে গেছে।

Wednesday, September 24, 2014

সাবধান প্রযুক্তি প্রতরানার নতুন ফাঁদ

১) বিক্রয় ডট কমে একটা অ্যাড দেখল ফারহান, ম্যাকবুক এয়ার ল্যাপটপ মাত্র ২৫০০০টাকা,দেখেই মাথা খারাপ।এত কম কেন?অ্যাডে আবার লেখা বিদেশ থেকে পাঠিয়েছে ব্যবহার করতে পারিনা বলে সেল করে দিচ্ছি।ফারহান ভেবে নিল অন্তত আর যাই হোক নষ্ট তো না, ইউজ করতে পারেনা বলে সেল করে দিচ্ছে। অ্যাডের নাম্বারে ফোন দিতেই এক সুকন্ঠি মেয়ে ফোন ধরে বলব বিদেশ থেকে গিফট দিয়েছে আঙ্কেল,ইউজ করা হয়না বলে কম দামে সেল করে দিবে।ফারহান আর অত চিন্তা করল না,তাকে বলে দিল সে নিবে। মেয়েটি জানাল মগবাজার থেকে কালেক্ট করতে হবে।ভালো লাগলে ক্যাশ টাকা দিতে হবে। খুশিতে বাগবাকুম হয়ে মগবাজার গেল। ল্যাপটপ তো দূর সাথে যা ছিল সব রেখে দিল সেই অ্যাড দেয়া ছিনতাইকারী দল।
২) সেল-বাজারে আইফোন ৫ এর অ্যাড দেখে ফোন দিল ওমর ফারুক। দাম অনেক কম মাত্র ১৬ হাজার। লোকেশন চট্টগ্রাম।এত কম দামে পেয়ে সাথে সাথেই ফোন।কথা হল সব কিছু ঠিক ঠাক। ৩০% টাকা এডভান্স বাকিটা এস এ পরিবহনে পণ্য পেয়ে।অ্যাডভান্স দিয়ে দিল। তারপর অ্যাড উদাও,নাম্বার অফ !আর আসেনি তার আইফোন ৫ ।
৩) রিক্সায় করে ফার্মগেট থেকে বসুন্ধরা সিটিতে শপিং করতে যাচ্ছিল সবুজ। হঠাত রিক্সাওয়ালা রিক্সা ওয়ালা নীরব এক জায়গাতে রিক্সা থামাল।ভয় পেয়ে গেল সবুজ। রিকশাওয়ালার শরীর কাঁপছে।লুঙ্গির কাছা থেকে একটা ছোট্ট প্যাকেট বের করে বলল এক মহিলা যাত্রী ফেলে গেছে এই গহনা টা। স্বর্ণের! ১ ভরীর উপরে হবে।রিক্সাওলা বলে কোন দোকানে সেল করতে পারব না।সবুজ কিনবে কিনা? যা দিবে তাই নেবে।দেখে আর না করতে পারলনা। পকেটে ১১ হাজার টাকা ছিল,সব দিয়ে কিনে নিল। ১১ হাজার টাকায় ৪৫ হাজার টাকার উপরে পাবে। শপিং তো হবেই সাথে একটা দামি মোবাইল ও নেয়া যাবে। বসুন্ধরা সিটি তে গিয়ে জুয়েলারি দোকানে এটার দাম জিজ্ঞেস করতেই সেলস ম্যান বলে দিল আমরা ইমিটিশন কিনি না !!!
৪) ফার্মগেটে হাঁটছে রাজীব।পথে একলোক দাড়া করিয়ে বল আমার কাছে ২০ ডলার আছে,আমি ড্রাগ নেই তাই ইমার্জেন্সি টাকা দরকার। মাত্র ৫০০টাকা দিলেই হবে। রাজীব ভাবল নিয়ে নেই বন্ধুর মানি একচেঞ্জ থেকে ক্যাশ করে নিব।লাভ হবে অনেক টাকা। ৫০০টাকায় নিয়ে নিল।জিজ্ঞেস করল আর আছে কিনা।লোকটা বলল এসব সাথে নিয়ে ঘুরল পুলিশ ধরবে,জানেন ই তো টানা মাল।এক বিদেশীরে পাইছিলাম,মালদার পার্টি। ফোন নাম্বার নিয়ে নিল রাজীব,বলল ওই ডলার যাতে কাউকে না দেয়,সব সে নিবে।ফোন করে জানালেই কত ডলার সে পরিমাণ টাকা নিয়ে আসবে।ওই ২০ ডলার ক্যাশ করে নিল,কোন সমস্যা হয়নি। পরের দিন ধার টার করে ২০০০০হাজার টাকার মত নিয়ে আসল, ৫০০ ডলার দিবে।এবার দাম বাড়িয়ে দিয়েছে কারণ তার নেশা নাই এখন আর। রাজীব ভাবল তারপরেও প্রায় ডাবল লাভ।ফার্মগেট পার্কের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,লোকটার দেখা নেই,মনে মনে ভাবছে লোকটা বেচে দিল না। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পর দূর থেকে লোকটাকে দেখা গেল।কাছে আসতেই একটা খাম ধরিয়ে বলল পুলিশ পিছনে পরছে তাই টাকা টা দিয়ে কেটে পরতে।রাজীব তাই করল। বাসায় আসার আগে খুলেও দেখেনি খামে কি আছে।কি আর হতে পারে একগাদা কাগজ ছাড়া !
৫)গাবতলি বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে কথা বলছে রাজু, বাসা থেকে ফোন দিয়েছে মা,মা জিজ্ঞেস করছে টাকা ঠিক ঠাক রেখেছে কিনা। সেও মাকে জানাল হা টাকা ঠিক আছে,সাবধানেই যাচ্ছে সে। যাবে আদাবর,বোনের বাসা,সেখান থেকে পরের দিন আইডিবি থেকে ছোট ভাইয়ের ল্যাপটপ কিনবে। একটু পরেই একটা মেয়ে আসল,টুকটাক কথা বার্তায় রাজু তাকে জানাল আদাবর যাবে,মেয়েটি বলল আমি ঢাকার তেমন কিছু চিনি না,যাব আঙ্কেলের বাসায়,বাসাটা শ্যামলীতে। কিভাবে যাব? রাজু প্রস্তাব দিল তার সাথেই যেতে। শ্যামলীতে এ নামিয়ে দিয়ে যাবে।মেয়েটা সামনের সিএনজি দেখেয়ে প্রস্তাব দিল সিএনজি তে যাবে এবং রাজুকে ভাড়া দিতে দিবেনা। হাসি মুখে রাজু মেনে নিল। ফলাফল দিনে দুপুরে পথে পিস্তল ধরে ব্যাগ,মানিব্যাগ, মোবাইল সহ যা যা ছিল রেখে নামিয়ে দিয়ে সি এনজি উধাও …।
৬) শফিক সাহেব বাসে করে অফিসে যাচ্ছেন হঠাত তার ফোনে অদ্ভুত নাম্বার থেকে কল আসল।বলা হল রবি কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি।আমাদের সিগনালে কিছু সমস্যা হচ্ছে,আপনার মোবাইল ঠিক মত সিগনাল ধরতে পারছেনা এতে এমন হতে পারে যে সেটের ব্যাটারি শর্টসার্কিট হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। আপনি দয়া করে আগামী ২ ঘণ্টা মোবাইল অফ করে রাখবেন।ভুলেও মোবাইল অন করবেন না। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আমরা দুঃখিত। শফিক সাহেব অত কিছু না ভেবে মোবাইল বন্ধ করে দিলেন। কি দরকার অন রেখে বিপদে পরার। ওই দিকে উনার ওয়াইফের কাছে ফোন দিল কেউ,বলল শফিক সাহেবের বাস এক্সিডেন্ট করেছে। উনি ইমার্জেন্সিতে আছেন, জরুরী কিছু ওষুধ, ইঞ্জেকশন এবং অক্সিজেনের জন্য টাকা লাগবে। ৩০ মিনিটের মধ্যেই কিছু টাকা বিকাশে দিতে হবে তা না হলে সাহায্য কারী কিছু করতে পারবেন না তিনি স্টুডেন্ট হাতে টাকা নেই।ভদ্র মহিলা দিশেহারা হয়ে তার মেয়ে কে বললেন শফিক সাহেবের মোবাইলে কল দিতে,মোবাইল বন্ধ। উনারা বিশ্বাস করলেন যে শফিক সাহেব আসলেই এক্সিডেন্ট করেছেন যেহেতু উত্তরা থেকে মতিঝিল আসতেই অনেক সময় লেগে যাবে তাই বাসায় যা ছিল বিকাশ করে দিলেন এবং মা মেয়ে আত্মীয় স্বজন কে জানিয়ে সি এন জিতে করে মতিঝিলের উদ্দ্যেশে রওয়ানা দিলেন। টাকা পাঠানোর পর কথা হলেও সি এন জি থেকে কল দিয়ে আর ওই লোকের ফোন অন পাওয়া যায়নি।মতিঝিল যে ঠিকানা দিয়েছিল সেখানেও কোন হাসপাতাল নেই। অনেক পরে শফিক সাহেবের ফোন অন পাওয়া গেল এবং বুঝতে পারলেন যে উনারা প্রতারিত।শফিক সাহেব সুস্থ আছেন।
৭) স্যামসাং এস ৪ কিনতে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়েছিল সাদি। অনেক দোকান ঘুরেও যখন দাম কমাতে পারছিল না তখন একটা ছেলে বলল একটা টানা সেট আছে লাগবে কিনা? মাত্র ১৫হাজার টাকা দিলেই হবে। সাদি চিন্তা করল কম দামে যখন পাওয়া যাচ্ছে খারাপ কি। দরদাম করে ১০ হাজার টাকাতে ঠিক করে ফেলল। যে বসুন্ধরা সিটির পেছন থেকে সেট টা হাতে নিবে এমন সময় দেখল আরও কয়েকজন বখাটে মতন ছেলে ওই দিকে আসছে। ভয় পেয়ে গেল সাদি। কিছুক্ষণের মধ্যেই পেটে ছুড়ি ধরে টাকা,মোবাইল ,এটিএম কার্ড সহ যা পেল নিয়ে গেল সাদি কিছুই করতে পারল না!
৮) ফেসবুকে রিয়ার পরিচয় নিলয়ের সাথে। দেখতে অনেক স্মার্ট, বড়লোকের ছেলে। ঈদের শপিং সাথে নিলয়ের সাথে দেখা ২টাই হবে ভেবে নিলয়কে কে বসুন্ধরা সিটিতে আসতে বলল। যদিও নিলয় বলেছিল পিঙ্ক সিটিতে দেখা করতে। বসুন্ধরা সিটি তে দেখা হল দুজনের।দেখতে বেশ স্মার্ট।নিলয় জানাল সে মোবাইল কিনবে। রিয়া যেটা চয়েস করবে সেটাই কিনবে। খুশীতে বাকবাকুম হয়ে রিয়া নিলয়ের সাথে মোবাইল দেখতে গেল,কয়েকটা দোকান ঘুরে রিয়ার পছন্দ হল সনি এক্সপেরিয়া জেড। নিলয়ও বলল এটা নিয়ে নিবে। দাম দর হয়ে গেল। মোবাইলে সিম লাগিয়ে নিলয় বলল তুমি একটু বস আমি সামনেই আছি,এখানে নেটওয়ার্কে সমস্যা।কল করে চেক করে আসি। দোকানের সামনে থেকে কখন যে হারিয়ে গেল নিলয় টের ও পেল না।নিলয়ের নাম্বার ও বন্ধ। ফেসবুক আইডিও ডিএকটিভ।কোন ছবিও সেভ করে রাখিনি সে।দোকানদার কিছুক্ষণ পরপর জিজ্ঞেস করছে যে সাথের লোক কই?এখন রিয়া কিভাবে বলবে সে নিলয়ের প্রতারণার
স্বীকার।ওর শপিং এর টাকা এবং জমানো টাকা থেকে মোবাইলের দাম দিতে হবে।
৯) নিউমার্কেট থেকে জিনস কিনল আতিক। দোকানে মারাত্মক ভিড়। ১ হাজার টাকার নোট দিয়ে পে করল সে। কিছুক্ষণ পর বের হয়ে আসবে এমন সময় জাঁদরেল মত এক লোক হাত চেপে ধরল।বলল টাকা না দিয়ে কই যান? আতিক যতই বলে টাকা দিয়েছে সেলস-ম্যান গুলো ও বলে না টাকা দেয়নি।আতিক কোনভাবেই বুঝাতে পারে না টাকা টা সে আসলেই পে করেছিল। জাঁদরেল মত লোকটি বলল তাড়াতাড়ি টাকা দেন নাহলে চোর বলে গণধোলাই দিব।দিশেহারার মত চারদিকে তাকালেও কারো চোখে তার প্রতি সহমর্মিতার ছোঁয়া দেখতে পেল না।এভাবেই কিছু মানুষ সহজ সরল পেয়ে টাকা রেখে দেয়।
১০) আসলাম বাবুর অভিজ্ঞতা: জুলাই ১২, ২০১৪, রাত ১০;৩০ মিনিট এ মহাখালি ফ্লাই ওভার ব্রিজ এর গোঁড়া থেকে বাস এ উঠবো, অপেক্ষায় আসি ২৭ নাম্বার বাস এর জন্য। এই মুহূর্তে একটা বাস আসল অন্য একটা বাস,খালি বাস দেখে আমার সাথে আরও ২ জন ছিল, তাদের সাথে আমিও বাস এ উঠলাম, একটু পরে বাস ভাড়া দিলাম ১০ টাকা, খিলখেত নামবো। শুধু দেখলাম বাস এর মেইন দরজা লাগিয়ে দিল আর সাথে সাথে ৪-৫ জন লোক আমার গলা চেপে ধরল হাত আর চোখ বেধে ফেললো সাথে থাকা iphone, 3000 tk নগত, নরমাল symphony mobile, নিয়া নিল। আর ফেলে দিলো আশুলিয়া এর মধ্যে একটা ঝোপ এর ভিতর। সাথে আর ও ২ জন কে। কোন রকম জানে বেঁচে ফিরলাম।
এসব নিত্য নতুন প্রতারনার কৌশল থেকে মুক্তি পেতে লোভ সংবরন করুন, সতর্ক হোন, নিজের উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করুন। নিজে সচেতন হোন, অন্যকেও সতর্ক করুন।

Saturday, September 20, 2014

শুধু মাত্র পুরুষের জন্য টিপস

শুধু মাত্র পুরুষের জন্য টিপসঃ ===============অবিবাহিত রা পোষ্ট না পড়ে চোখ বুঝে সোজা প্রিয়তে রাখন, কারন যখন বিয়ে করবেন তখন কাজে লাগতে পারে। বিবাহ অনেকে করেছেন, কিন্তু সুখী কয়জন???
 দাম্পত্য জীবনের জন্য কিছু টিপস্ হলো-- 
১। বিয়ের আগে ভাবুন কি রকম মেয়েকে আপনি জীবনর জন্য সবচে উপযুক্ত। 
২। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী মেয়ে নির্বাচন করুন। 
৩। ভুলে ও আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, বেশি ধনী মেয়ে বিয়ে করবেন না, হয়তো তার জন্য সারা জীবন পস্তাতে হবে, (কানে কানে বলি আপনার চাইতে বেশী শিক্ষিত, ও বেশী ধনী হলে তার টেম্পার হবে ১২০ ডিগ্রীর উপড়, অবশ্যই সব মেয়ে একরকম না) 
৪। বাসর রাতে অবশ্য বিড়াল মেরেছেন তো??? নাকি বিড়ালে জ্বালায় এখনো জ্বলছেন, না মেরে থাকলে নিচের মেনুটি অনুসরন করুন। 
৫। বউয়ের কাছে আপনার দূর্বল দিক গুলি কোনটি, তা নির্বাচন করুন। যতদূর সম্ভব দূর্বলতা কাটিয়ে উঠুন, বউয়ের কাছে কোন দূর্বলতা আপনার মানসিক ও শারীরকতার উপড় প্রভাব পড়ে, যা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্নক ক্ষতি কর, ৬। নিজের মনে অন্য কোন মেয়ের স্থান দিবেন না, মনে রাখবেন আপনি যতই চালাক হোন না কেন, অন্য মেয়ের সাথে সর্ম্পক একদিন না একদিন আপনার স্ত্রী জানবেনই, (কানে কানে মেয়েরা খুব সন্দেহ প্রবন আপনাকে সব সময় চোখে চোখে রাখে) 
৭। স্ত্রী কে প্রচুর ভালবাসা দিন, তার ভাল লাগা দিক গুলি গুরুত্ব দিন, দেখবেন সে ও আপনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠবে। 
৮। মেয়েরা স্বামীর সাথে বেড়াতে ভালবাসে, অতএব, অল্প খরচে অধিক সময় থাকা যায়, এমন স্থান র্নিবাচন করুন, (যদি টাকা পয়সার টানাটানী থাকে) 
৯। আপনি রাতে ঘুমান কি ভাবে??? সব সময় বউকে জড়িয়ে ঘুমাতে চেষ্টা করুন, (যদিও ডিজিটাল দেশে বিদু্ৎ সমস্যার কারনে গরমে রাতে ঘুমানো কষ্ট কর) 
১০। ঐ কাজের পর বউয়ের কাছ থেকে ১০০ হাত দুরে চলে যাবেন না, তাকে বুকে জড়িয়ে বিশ্রাম নিন, এতে ভালবাসা বাড়ে। (পরীক্ষিত) 
১১। রাস্তা ঘাটের এবং বাসে ঢিল ছোড়া বিজ্ঞাপনের প্রতি কি আপনার দূর্বলতা আছে ( আই মিন বিশেষ অঙ্গের দুর্বলতা) স্ত্রীর সাথে ঐ সময় যদি ক্ষনস্থায়ী হয়, তবে মানসিক ভাবে দৃঢ়তার প্রস্তুত থাকুন, যখন মনে হবে আপনি ফেল মারতাছেন, তখনি বন্ধ করে স্ত্রীকে চুম্মন, লেহন, আদর করুন, অথবা হালকা, মজা করুন, তার পর আবার শুরু করুন। (এটাও পরীক্ষিত) 
১২। বিয়ের আগে যাই বলুন না কেন, বিয়ের পর কিন্তু কখনো বউকে বলতে যাবেন না, তুমিই আমার সব, তুমি ছাড়া জীবনে আমার কিছু, নেই, ( এই সব কইছেন তো মরছেন, বউয়ের টেম্পার বেড়ে যাবে) 
১৩। পারতো পক্ষে বউয়ের দূর্বলতা নিয়ে কথা বলবেন না, তা হলে বউ খুব মন খারাপ করবে ফলে মেজাজ সব সময় খিটখিটে থাকবে। 
১৪। অযথা সন্দেহ করনে না, যদি সন্দেহ যুক্ত কিছু ধরা পড়ে তবে বউ কে কিছু না বলে তদন্ত করুন, (আবার তদন্ত প্যনেল গঠন করবেন না, কারন যদি মিথ্যা সন্দেহ হয় তবে লজ্জার শেষ থাকবে না, বউয়ের খোটা শুনবেন আজিবন ফ্রি) সন্দেহ হলে প্রমান হাতে নিয়ে বউ কে রিমান্ডে নিন, জিঙ্ঘ্াসা বাদ করুন, পরদিন বউকে নিয়ে কোন রেষ্টুরেনটে খেতে যান, এবং বউকে বুঝান আপনি তাকে কত ভালবাসেন, অতীতের ভালবাসার দিক গুলি উপস্থাপন করুন, পারলে তাকে নিয়ে সুন্দর কোথাও বেড়াতে যান, 

পুনশ্চঃ এর পর ও যদি বউয়ের প্রেমিকা আছে এমন প্রমান পান, ছাইরা দে মা কান্দা বাচি, এ মেয়ে আপনার জীবনের জন্য নয়, সে তার প্রেমিকের অতএব অন্যর বউ নিয়া নিজের জীবনে অশান্তি এনে লাভ কি???